টিউটোরিয়ালসমূহ

ওয়াচ ডগস (২০১৪) রিভিউ

ওয়াচ ডগস (২০১৪) রিভিউ

ওয়াচ ডগস (WATCH_DOGS) একটি ওপেন্ড ওর্য়াল্ড ফিচারের একশন-এডভেঞ্চার স্টেলথ ধাঁচের ভিডিও গেম নির্মাণ করেছে ইউবিসফট মন্টিয়াল এবং প্রকাশ করেছে ইউবিসফট। গেমটি মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, প্লে-স্টেশন ৩ , প্লে-স্টেশন ৪, এক্সবক্স ৩৬০ এবং এক্সবক্স ওয়ান গেমিং কনসোলের জন্য মে ২৭, ২০১৪ সালে মুক্তি পেয়েছে। গেমটির Wii U সংস্করণ ২০১৪ সালের শেষের দিকে মুক্তি সম্ভাবনা রয়েছে।

গেমটির পটভূমি সাজানো হয়েছে শিকাগো সিটির “ফিকশনাল” রূপে! গেমটির স্টোরিলাইন সাজানো হয়েছে একজন হ্যাকারকে ঘিরে, যেখানে সে তার এক নিকট আত্মীয়ের খুনের প্রতিশোধ নিতে হ্যাক করে ফেলে আধুনিক জীবনের প্রায় সব কিছুই! ওপেন ওয়ার্ল্ড ফিচারের এই গেমটিতে ফ্রি রম সুবিধা রয়েছে যেখানে প্লেয়ার ফ্রি ভাবে পুরো শিকাগো শহরে ঘুরে বেড়াতে পারবে।

গেমটি থার্ড পারসন ক্যামেরা ভিউতে খেলা যাবে। গেমটিতে রয়েছে সিঙ্গেল প্লেয়ার এবং মাল্টিপ্লেয়ার সিস্টেম।

নির্মাতাঃ ইউবিসফট মন্টিয়াল

প্রকাশ করেছেঃ ইউবিসফট

ইঞ্জিণঃ Disrupt, Havok Physivs

খেলা যাবেঃ বহু প্ল্যাটফর্মে

মুক্তি পেয়েছেঃ মে ২৭, ২০১৪ সালে

ধরণঃ একশন এডভেঞ্চার

খেলার ধরণঃ সিঙ্গেল এবং মাল্টিপ্লেয়ার

ওয়াচ ডগস (২০১৪) রিভিউ

মিনিমাম রিকোয়ারমেন্টসঃ

  • কোর ২ কোয়াড অথবা ফেনম ২ এক্স৪ প্রসেসর,
  • ৬ গিগাবাইট র‌্যাম
  • ডাইরেক্স এক্স ১১ সুবিধা সম্বলিত ১ গিগাবাইটের গ্রাফিক্স কার্ড (GTX 460/HD 5770/ Intel HD 5200)
  • ভালোভাবে খেলতে হলেঃ
  • কোর আই ৭ অথবা এএমডি এফএক্স-৮৩৫০ প্রসেসর
  • ৮ গিগাবাইট র‌্যাম,
  • ডাইরেক্স এক্স ১১ সুবিধা সম্বলিত ২ গিগাবাইটের গ্রাফিক্স কার্ড (GTX 560ti / HD 7850)

ওয়াচ ডগস (২০১৪) রিভিউ

এইডেন পির্য়ারস। একজন গ্রে হ্যাট হ্যাকার এবং একই সাথে একজন ক্রিমিনালও বটে! ১১ মাস আগে মেরলট হোটেলে ডাকাতি করতে গিয়ে ফেইল হয় সে এবং এই কাহিনীর সুত্রপাতে তার একজন নিকট আত্মীয়ের খুন হয়। এবার এইডেন তার আত্মীয়ের খুনের প্রতিশোধ নিতে মরিয়া হয়ে উঠে।

তখনকার যুগে শিকাগো শহরটি ctOS (Central Operating System) নামের একটি উন্নত মানের টেকনোলজির উপর নির্ভরকরে গড়ে উঠেছে, এবং এইডেন এই ctOS কে হ্যাক করে শহরের যাবতীয় ইলেক্ট্রিকাল যন্ত্রের উপর তার অবাধ যাওয়া-আসার পথ খুলে দেয়। এখন সে পুরো শহরের সকল বাসিন্দাদের যেকোনো তথ্য তার স্মার্টফোনের সাহায্যে খুঁজে নিতে পারে!

এইডেনের সাবেক হ্যাকার পার্টনার ডেমিয়েন এইডেন মেরলট হোটেলে তথ্য ফাঁসের পক্ষে কে কে রয়েছে এটা বের করতে বললে এইডেন তা প্রত্যাখান করে দেয় কিন্তু যখন ডেমিয়েন এইডেনের বোন কিডন্যাপ করে তখন এইডেনকে এই কাজ টি বাধ্য হয়েই করতে হয়।

ওদিকে আরেকজন হ্যাকার মহিলা ক্ল্যারা লিলির সাহায্য নিয়ে এইডেন আরেকজন হ্যাকার গ্যাঙ্গ লিডারকে ট্যাক করে। সে হচ্ছে ব্ল্যাক ভাইসরয়েস গ্যাঙ্গ এর লিডার এনথনি ওয়েড। এনথনির সার্ভার হ্যাক করার পর এইডেন জানতে পারে যে, এনথনির সার্ভারে শহরের প্রায় প্রত্যেক সিটিজেনের তথ্য রয়েছে এবং এনথনি পুরো শহরকে ব্ল্যাকমেইল করতে যাচ্ছে। অতি উচ্চ সিকুরিটি থাকায় এইডেন তখনই ডিক্রিপ্ট কোড করতে না পারায় সে এটার সৃস্টিকারীর “টি-বোন” এর সাহায্য নেয়। টি-বোন এর কিছু কাজ করে দেওয়ার পর টি-বোন এইডেনকে ডিক্রিপ্টশনের আনলক করায় সাহায্য করে।

আনলক করার পর এইডেন এবং ক্ল্যারা এনথনির কমপাউন্ডের হ্যাক চালায়। এনথনির সার্ভারের হ্যাক করার পর যখন সার্ভার ডাটা ডাউনলোড করছিল তখন এনথনির সাথে এইডেনের সংর্ঘষ বাধে, এরই মধ্যে আরেকজন হ্যাকার তাদের সিস্টেমের মধ্যে প্রবেশ করে সার্ভারের ডাটা চুরি করে নিয়ে উধাও হয়ে যায়!

এনথনিকে খুন করার পর এইডেনে সার্ভারে রেখে যাওয়া একটি তথ্যের সাহায্যে জানতে পারে যে ১১ মাস আগে ডাকাতির তথ্য ফাঁসে ক্ল্যারার হাত ছিল এবং এরই জন্য তার আত্মীয়ের খুন হয়েছে। রাগের মাথায় ক্ল্যারাকে চলে যেতে বলে এইডেন। এভাবেই গেমপ্লে এগিয়ে যাবে।

ওয়াচ ডগস (২০১৪) রিভিউ

ওয়াচ ডগস (২০১৪) রিভিউওয়াচ ডগস (২০১৪) রিভিউ

সবাই ভাল থাকবেন। ধন্যবাদ

লেখক পরিচিতিঃ

Riasad Rion